আয়েশা আহমেদ তাজ; তিনি লেখেন হৃদয়ের দুটো স্পন্দনের মাঝখানের সেই অখণ্ড নীরবতায়। যিনি মূলত কালের গর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়া মুহূর্তদের ঔপন্যাসিক। তাঁর গল্পের উৎস এক অপার রহস্য। সে কি কোনো স্বপ্ন, নাকি মধ্যরাতে উন্মুক্ত হওয়া কোনো গোপন দরজা, কেউ জানে না। তার কাহিনিরা হেঁটে বেড়ায় নিঃশব্দে, পদচিহ্নহীন। ভোরের আলো ফোটার আগেই তারা মিলিয়ে যায়, রেখে যায় শুধু এক রেশ। তাঁর স্বদেশ? বিশ্বাসই তাঁর একমাত্র দেশ। কোনো মানচিত্রের সীমানা তাঁকে বাঁধেনি, কারণ তাঁর জন্ম কোনো এক প্রাচীন কবিতার ভাঁজ থেকে। তিনি একজন মুসলিম; এই পরিচয়ই তাঁর ধ্রুবসত্য। তাঁর জন্মভূমি? হতে পারে তা কোনো ক্ষয়িষ্ণু চাঁদের আলোয়, কিংবা এমন কোনো বেসুরো পঙক্তিতে, যা তার ছন্দ হারিয়েছে। তাঁর গল্পের কোনো পাসপোর্ট লাগে না; তাঁর পরিচয় জুড়ে আছে শুধু প্রতিধ্বনি আর ভস্মাবশেষ। আর বাকিটা? সেটুকু এক গভীর নৈঃশব্দ্য, যাঁর ভাষা কেবল চাঁদই জানে। রোমান্টিক, গথিক, থ্রিলার এবং ফ্যান্টাসি ঘরানার উপন্যাসের পাশাপাশি তিনি কবিতা লিখতে ভালোবাসেন। এটি তার প্রথম বই নয়। কততম বই, তা বলাও মুশকিল। তবে অ্যামাজনে প্রকাশিত “Crimson Covenant” বইটি আন্তর্জাতিকভাবে তাঁর প্রথম পদক্ষেপ। এবং সেটিও ইংরেজিতে লেখা একটি ভ্যাম্পায়ার উপাখ্যান।